সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭

Thursday, 19 Oct 2017


বিমানবন্দর সড়কের বাতি জ্বলেনি সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত। এরপর আলো জ্বললেও মিনিট পাঁচেক পর ফের অন্ধকার। এ সময় চারদিকে একসঙ্গে ঝিলিক দেয় ফোনের লাইট। এটাই যেন প্রতিবাদ। আজ বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বরণ করতে গিয়ে এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন নেতা-কর্মীরা। বিকেলে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন খালেদা জিয়া। তাকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। কিন্তু সন্ধ্যা হলেও বিমানবন্দর সড়কের বাতিগুলো ছিল অচল। সাড়ে ছয়টায় হঠাৎ চারদিকের সড়কের বাতি সচল হয়ে জ্বলে ওঠে। কিন্তু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তা। পাঁচ মিনিট পর ফের অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় সড়ক। এ সময় খালেদা জিয়া বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলেন। অন্ধকারে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা নেতাকর্মীরা মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে খালেদাকে স্বাগত জানান। এটাই তাদের প্রতিবাদ বলে জানান অনেকে। পাশাপাশি সবার মুখে ছিল নানা স্লোগান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার সিদ্দিকী মানবজমিন’কে বলেন, ‘সরকার দেশনেত্রীর ফেরার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতেই রাস্তার বাতি বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের নেতাকর্মীরা ও সাধারণ জনগন মোবাইল ফোনের আলো দিয়ে অন্ধকার পথকে আলোকিত করেছে। প্রতিবাদ জানিয়েছে।’ এভাবেই বিএনপি চেয়ারপারসনকে তার গুলশানের বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এর আগে আজ বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে লন্ডন থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান খালেদা জিয়া। চিকিৎসার জন্য লন্ডনে তিন মাসের বেশি সময় অবস্থান করার পর দেশে ফিরলেন তিনি।

[এইচএম/এস.হক]